রাজ্যে গড়রক্ষার যুদ্ধে নামবেন সোমবার, রবিতে ভবানীপুরের ‘ঘর’ গোছানোর বৈঠক, কর্মিসভা থেকে কৌশল সাজাবেন মমতা

0

রবিবার সন্ধ্যায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার কর্মীদের নিয়ে এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে প্রার্থী মমতা তো বটেই, হাজির থাকবেন সুব্রত বক্সী, দেবাশিস কুমার, মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ ভবানীপুরের আরও সাত জন কাউন্সিলর।ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারী প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। এ বার ভোটের প্রচার শুরুর আগে সলতে পাকানোর কাজ শুরু করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার কর্মীদের নিয়ে এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

যেখানে প্রার্থী মমতা তো বটেই, হাজির থাকবেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি দেবাশিস কুমার, মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ ভবানীপুরের আরও সাত জন কাউন্সিলর। কর্মী সম্মেলনে সব বুথের কর্মীদেরও হাজির থাকতে বলা হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের লক্ষ্য, ভোটের আগে মমতার ভবানীপুরে করা কাজের ফিরিস্তি বুথে বুথে পৌঁছে দেওয়া।নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর)-তে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ৪৭ হাজার ৯৪ ভোটারের না‌ম বাদ গিয়েছে। বর্তমানে ভবানীপুর বিধানসভা বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার ১৫৫ জন। সেই পরিস্থিতিতে কালীঘাটের বাসভবনে দলের বিএলএ এবং বিএলএ-২-দের নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছেন মমতা। আর অহীন্দ্র মঞ্চের কর্মী সম্মেলনেও ওই সব দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএলএ এবং বিএলএ-২-কে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনে ভবানীপুর থেকে তৃণমূল প্রার্থী মালা রায় সাড়ে ৬ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকলেও পাঁচটি ওয়ার্ডে এগিয়েছিল বিজেপি। তাই ৬৩, ৭০,৭১,৭২,৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোট প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য সভাপতিকে। আর ৭৪,৭৭ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে রয়েছেন মেয়র ফিরহাদ। তা সত্ত্বেও এই নির্বাচনে কোন নেতার কী দায়িত্ব হবে, কর্মিসভায় সেই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিতে পারেন মমতা।যদিও ‘বাংলার উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে’ স্লোগানকে হাতিয়ার করে ভবানীপুরের ঘরে ঘরে গিয়ে মমতার উন্নয়নমূলক কাজের ফিরিস্তি দিতে কাউন্সিলরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিজেপি এ বার মমতাকে কঠিন লড়াই দিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুকে ভবানীপুরে প্রার্থী করেছে। তাই এই লড়াইয়ে যাতে কোনও রকম আত্মতুষ্টি কাজ না করে, সেই বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখতে শুরু করেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই ভবানীপুরে শেষ দফায় ২৯ এপ্রিল ভোট থাকলেও, রবিবারের কর্মিসভা থেকে কী ভাবে মাসব্যাপী প্রচার চালাবে তৃণমূল, সেই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকবে তৃণমূলের সর্ব্বোচ্চ নেত্রীর, এমনটাই দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল সূত্রে খবর।কলকাতা পুরসভার ৭১ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূলের সভাপতি বাবুল সিংহ বলেন, ‘‘দিদির নাম প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই আমরা ভবানীপুরে ভোটের কাজে নেমে পড়েছি। রবিবার কর্মিসভায় মুখ্যমন্ত্রী আমাদের কী বার্তা দেন, সে দিকেই আমরা তাকিয়ে।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed