মার্কিন-ইহুদি ফৌজকে মুখের মতো জবাব দিতে পাল্টা মার, ‘বন্ধু’ পুতিনের ‘ব্রহ্মাস্ত্রে’ রক্তগঙ্গা বওয়াবে ইরান?

0
iran war

iran war

ইজ়রায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানে শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হওয়ায় প্রতিশোধ নিতে খেপে উঠেছে ইরান। পশ্চিম এশিয়ার আরব মুলুকগুলির একাধিক শহর এবং আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তেহরান। কতটা দীর্ঘায়িত হতে পারে এই যুদ্ধ?কখনও ঝাঁ-চকচকে শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা। কখনও আবার শত্রুর লড়াকু জেট ধ্বংস। ইরান বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজ়রায়েলের যুদ্ধে পুড়ছে গোটা পশ্চিম এশিয়া। ইতিমধ্যেই দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতীয় অর্থনীতিতে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম। খাদে নেমেছে শেয়ার বাজার। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় নয়াদিল্লির কপালের চিন্তার ভাঁজ যে চওড়া হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। শুধু তা-ই নয়, সাউথ ব্লকের অন্দরে ঘোরাফেরা করছে একটা প্রশ্ন, কত দিন চলবে সংঘাত?এ ব্যাপারে গণমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যাবতীয় অভিযান শেষ করে ফেলবে যুক্তরাষ্ট্রের ফৌজ। শুধু তা-ই নয়, এই সময়সীমার মধ্যে ইরানে ক্ষমতার ভরকেন্দ্রও বদলানো যাবে বলে দাবি করেছেন তিনি। কিন্তু বিষয়টি কি এতই সহজ? প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, লম্বা সময় ধরে যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে তেহরানের।বিশ্লেষকদের এই অনুমান যে অক্ষরে অক্ষরে সত্যি হতে চলেছে, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে ইরান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গী হওয়া ইজ়রায়েল। তাই ট্রাম্পের মতো ‘কল্পতরু’ নয়, বরং বিবৃতি দেওয়ার সময় বেশ ‘সাবধানি’ ছিলেন ইহুদি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর কথায়, ‘‘সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া ইসলামীয় প্রজাতন্ত্রকে পুরোপুরি ধ্বংস না করা পর্যন্ত ইরানে জারি থাকবে আমাদের হামলা। যত দিন প্রয়োজন হয় তত দিন যুদ্ধ চালিয়ে যাব।’’ সংশ্লিষ্ট লড়াইয়ে আমেরিকা যে সর্বতোভাবে তেল আভিভের পাশে থাকবে, তা জানাতে ভোলেননি তিনি।এ দেশের অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট যুদ্ধ কত দিন স্থায়ী হবে, তা নির্ভর করবে মূলত দু’টি বিষয়ের উপর। প্রথমত, ইরানের অস্ত্রভান্ডার। সংঘর্ষ যত এগোবে ততই সেই ভাঁড়ারে টান পড়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকছে। কিন্তু রাশিয়া বা চিনের মতো মহাশক্তিধর ‘বন্ধু’ দেশগুলির সাহায্য নিয়ে ফৌজের কাছে অত্যাধুনিক হাতিয়ার, গোলা-বারুদ এবং রসদ পৌঁছে দিতে তেহরান সক্ষম হলে, পরিস্থিতি ভয়াবহ দিকে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, সাবেক পারস্যের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মনের জোর।চলতি বছরের জানুয়ারিতে সামরিক শক্তির নিরিখে ১৪৫টি দেশের একটি তালিকা প্রকাশ করে সমীক্ষক সংস্থা ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স’। সেখানে প্রথম স্থানে আছে আমেরিকা। অন্য দিকে বিবদমান ইরান এবং ইজ়রায়েলকে যথাক্রমে ১৬ এবং ১৫ নম্বরে রেখেছে তারা। অর্থাৎ, ফৌজি সক্ষমতায় ইহুদি ও পারস্যের বাহিনীকে উনিশ-বিশ বলা যেতে পারে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে সর্বাধিক ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বহর রয়েছে তেহরানের কাছে। এর মধ্যে বেশ কিছু ‘হাইপারসনিক’ শ্রেণির।দ্য ইউরেশিয়ান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানি আধা সেনা ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ বা আইআরজিসির কাছে আছে প্রায় তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র। এর মধ্যে অন্যতম হল স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার শাহাব-৩ এবং সেজ্জিল। এ ছাড়া কঠিন জ্বালানিতে (সলিড ফুয়েল) চলা বেশ কিছু দূরপাল্লার নতুন রকেটকে বাহিনীর বহরে শামিল করেছে তেহরান। সেগুলি হল, খোররামশাহর-৪, ফাত্তাহ-১ এবং খেইবার শেকান। এদের মধ্যে দ্বিতীয়টি ‘হাইপারসনিক’ শ্রেণির। অর্থাৎ, শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ গতিতে ছুটতে পারে ফাত্তাহ-১।আইআরজিসির বহরে শামিল হওয়া নতুন দূরপাল্লার রকেটগুলি নিখুঁত নিশানায় ২,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হামলা করতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে অনায়াসেই নিশানা করতে পারছে পারস্যের ফৌজ। তেল আভিভ বা হাইফার মতো ইজ়রায়েলি শহরে আক্রমণ শানানোর মতো ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে তাদের হাতে। তা ছাড়া বেশ কিছু অত্যাধুনিক ড্রোন রয়েছে তেহরানের কাছে, যা লড়াইয়ে ‘গেম চেঞ্জার’ হয়ে উঠতে পারে।ইরানি পাইলটবিহীন বিমানগুলির মধ্যে শাহেদ-১৩৬, মোহাজের-৬ এবং আবাবিল গুরুত্বপূর্ণ। গত চার বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে শত্রুর উপর নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং আত্মঘাতী হামলায় এই ড্রোনগুলির বেশ কয়েকটি নিজেদের জাত চিনিয়েছে বললে অত্যুক্তি হবে না। মানববিহীন উড়ুক্কু যানগুলিকে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়িয়ে আইআরজিসি আক্রমণ শানালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদি ফৌজের লোকসান হতে বাধ্য। আকাশ প্রতিরক্ষা (এয়ার ডিফেন্স) ব্যবস্থা ব্যবহার করে সেগুলিকে আটকানো বেশ কঠিন।সংশ্লিষ্ট লড়াইয়ে কৌশলগত দিক থেকে ইরানের একটা সুবিধা রয়েছে। পারস্য উপসাগরের হরমুজ় প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে তেহরানের নৌবাহিনী। পশ্চিম এশিয়ার আরব দেশগুলির খনিজ তেল পরিবহণের ব্যস্ততম এই সামুদ্রিক রাস্তা ইতিমধ্যেই বন্ধ করেছে আইআরজিসি। সেই লক্ষ্যে তরল সোনা বহনকারী একটি মালবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালায় তারা। ১৬৭ কিলোমিটার লম্বা এবং ৩৩-৩৯ কিলোমিটার চওড়া ওই সঙ্কীর্ণ সামুদ্রিক রুট শিয়া ফৌজের থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ‘শিবেরও অসাধ্য’, বলছেন সাবেক সেনাকর্তাদের একাংশ।হরমুজ় প্রণালীতে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পেতে গত কয়েক বছরে নৌবাহিনীকে যথেষ্ট শক্তিশালী করেছে ইরান। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ফাতেহ এবং গাদির শ্রেণির ডুবোজাহাজ রয়েছে তাদের হাতে। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং রণতরী ধ্বংসকারী ‘ওয়াটার মাইন’ দিয়ে সজ্জিত তেহরানের হামলাকারী স্পিডবোটগুলিও সংঘর্ষে ‘খেলা ঘোরাতে’ পারে। সম্প্রতি একটি মালবাহী ট্যাঙ্কারকে ড্রোনবাহী যুদ্ধজাহাজে পরিণত করেছেন পারস্যের প্রতিরক্ষা গবেষকেরা। শিয়া সেনা এর নাম রেখেছে আইআরআইএস (ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান শিপ) শহিদ বাঘেরি।হরমুজ় প্রণালীতে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পেতে গত কয়েক বছরে নৌবাহিনীকে যথেষ্ট শক্তিশালী করেছে ইরান। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ফাতেহ এবং গাদির শ্রেণির ডুবোজাহাজ রয়েছে তাদের হাতে। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং রণতরী ধ্বংসকারী ‘ওয়াটার মাইন’ দিয়ে সজ্জিত তেহরানের হামলাকারী স্পিডবোটগুলিও সংঘর্ষে ‘খেলা ঘোরাতে’ পারে। সম্প্রতি একটি মালবাহী ট্যাঙ্কারকে ড্রোনবাহী যুদ্ধজাহাজে পরিণত করেছেন পারস্যের প্রতিরক্ষা গবেষকেরা। শিয়া সেনা এর নাম রেখেছে আইআরআইএস (ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান শিপ) শহিদ বাঘেরি।এ ছাড়া যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসকারী বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে আইআরজিসির হাতে। পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির দাবি, সংঘাত শুরু হওয়ার মুখে মালবাহী সামরিক বিমানে বিপুল সংখ্যায় ৯কে৭২০ ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র তেহরানে পাঠিয়ে দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। স্বল্পপাল্লার (পড়ুন ৫০০ কিলোমিটার) এই ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে এর বহুল ব্যবহার করেছে মস্কো। ইস্কান্দারের আঘাতে রাতারাতি শ্মশানে পরিণত হতে পারে পশ্চিম এশিয়ার আরব দেশগুলির একাধিক শহর।ফিন্যান্সশিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সাল) ডিসেম্বরে রাশিয়ার সঙ্গে একটি গোপন সামরিক চুক্তি সারে ইরান। ৭৩.৪ কোটি ডলারের এই সমঝোতা অনুযায়ী, ৯কে৩৩৩ ভারবা ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তেহরানকে সরবরাহ করার কথা আছে মস্কোর। সংশ্লিষ্ট হাতিয়ারটির ৫০০টি লঞ্চার এবং ২,৫০০টি ৯এম৩৩৬ ক্ষেপণাস্ত্র ক্রেমলিনের থেকে কিনেছে শিয়া ধর্মগুরুদের শাসনে থাকা পারস্যের ফৌজ। এই অস্ত্রের সাহায্যে ড্রোন, হেলিকপ্টার এবং কম উচ্চতায় ওড়া শত্রুর লড়াকু জেটগুলিকে অনায়াসে নিশানা করতে পারবে তাঁরা।বর্তমানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসাবে রাশিয়ার তৈরি এস-৩০০ এবং চিনের এইচকিউ ৯বি ব্যবহার করছে আইআরজিসি। বিশ্লেষকদের অনুমান, যুদ্ধ ভয়াবহ দিকে মোড় নিলে তেহরানে এস-৪০০ ট্রায়াম্ফের মতো অতিশক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাঠাতে পারেন পুতিন। শিয়া ফৌজের বিমানবাহিনী ইজ়রায়েল বা আমেরিকার মতো শক্তিশালী নয়। সেই ঘাটতি পূরণে ৪৮টি এসইউ-৩৫ লড়াকু জেট এবং বেশ কিছু মি-২৮ হামলাকারী কপ্টার মস্কোর কাছে চেয়েছে পারস্য উপসাগরের ওই রাষ্ট্র, খবর সূত্রের।বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই সমস্ত যুদ্ধবিমান ও কপ্টার পাঠিয়ে ইরানি সেনার হাত শক্ত করতে পারে রাশিয়া। কারণ, গত চার বছর ধরে ইউক্রেনকে বিপুল পরিমাণে অত্যাধুনিক হাতিয়ার সরবরাহ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জেরে এখনও কিভ দখল করতে পারেনি মস্কোর ফৌজ। উল্টে লড়াইয়ের গোড়ার দিকে ক্রেমলিনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। পারস্য উপসাগরের সংঘর্ষে বদলা নেওয়ার সুযোগ থাকায়, তা নিশ্চয়ই হাতছাড়া করতে চাইবেন না পুতিন।সাবেক সেনাকর্তাদের অনেকেই মনে করেন, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে রণতরী ধ্বংসকারী ক্রুজ় ও ‘হাইপারসনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র তেহরানে পাঠাবে রাশিয়া। পর্দার আড়ালে থেকে ইরানকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারে চিনও। কারণ, বেজিঙের জ্বালানির প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেত্রে পারস্য উপসাগরের কোলের শিয়া মুলুকটির বড় ভূমিকা রয়েছে। সেখান থেকেই ব্যাপক সস্তায় খনিজ তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস কিনে থাকে ড্রাগন। এ ব্যাপারে ইরানের উপরে থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কখনওই পরোয়া করেনি মান্দারিন সরকার।

তবে এগুলির উল্টো যুক্তিও রয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করেন, দ্রুত পতনের দিকে যাচ্ছে ইরানের ইসলামীয় প্রজাতন্ত্র। যুক্তি হিসাবে তাঁদের দাবি, তেহরানের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতাদের এক এক করে হত্যা করছে আমেরিকা ও ইহুদি সেনা। এর শুরুটা হয়েছে আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইকে দিয়ে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজ়রায়েলের যৌথ অভিযানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রাজধানী শহরে নিজের দফতরেই প্রাণ হারান পারস্যের ওই শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার)।

Iran war escalates in West Asia amid Russia allegedly sent weapons to Tehran for attack Israel and US

১৭ /১৯

খামেনেই ছাড়াও ইরানি প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসেরজাদা এবং আইআরজিসির কমান্ডার ইন চিফ মহম্মদ পাকপোরকে উড়িয়ে দিয়েছে ইহুদি ও মার্কিন সেনা। মারা গিয়েছেন সর্বোচ্চ নেতার মেয়ে ও নাতনি। ওই ঘটনার পর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, কুয়েত এবং বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও শহরগুলিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে নিশানা করে পারস্যের শিয়া ফৌজ। ইজ়রায়েলের একাধিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে তারা। আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনেও আছড়ে পড়েছে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র।

Iran war escalates in West Asia amid Russia allegedly sent weapons to Tehran for attack Israel and US

১৮ /১৯

ইরানি আক্রমণে ক্ষতি হলেও ডোবেনি ওই মার্কিন যুদ্ধপোত। ইজ়রায়েলকে বিপদে ফেলতে ইতিমধ্যেই লেবাননের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হিজ়বুল্লাকে রণাঙ্গনে নামিয়েছে তেহরান। ইহুদি রাষ্ট্রের উত্তর অংশে আক্রমণ শুরু করেছে তারা। এ ছাড়া সাবেক পারস্যের পক্ষ নিয়ে যুদ্ধে নামার আশঙ্কা রয়েছে ইয়েমেনের হুথি এবং গাজ়ার হামাস বিদ্রোহীদের। সে ক্ষেত্রে একাধিক ফ্রন্টে লড়তে হবে ইহুদিদের।

Iran war escalates in West Asia amid Russia allegedly sent weapons to Tehran for attack Israel and US

১৯ /১৯

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর একটি পরিষদ বা কাউন্সিল তৈরি করেছে ইরান, অস্থায়ী ভাবে যার উপর থাকছে দেশশাসনের ভার। সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলে রয়েছেন খামেনেই-ঘনিষ্ঠ বছর ৬৭-র আলিরেজা আরাফি, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান এবং প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেন মোহসেনি। যুদ্ধ এড়াতে ইজ়রায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হার স্বীকার করবেন তাঁরা? নাকি শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত চালিয়ে যাবেন লড়াই? উত্তর দেবে সময়।

সব ছবি: সংগৃহীত ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed