করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসের সামনে বিক্ষোভকারীদের উপরে গুলি চালিয়েছিল আমেরিকার মেরিন বাহিনী! দাবি রিপোর্টে

0
করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসের সামনে বিক্ষোভকারীদের উপরে গুলি চালিয়েছিল আমেরিকার মেরিন বাহিনী! দাবি রিপোর্টে

করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসের সামনে বিক্ষোভকারীদের উপরে গুলি চালিয়েছিল আমেরিকার মেরিন বাহিনী! দাবি রিপোর্টে

খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই গত রবিবার বিক্ষিপ্ত অশান্তি শুরু হয় করাচিতে। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খামেনেইয়ের ছবি হাতে বেশ কয়েক জন জড়ো হন করাচির মার্কিন উপদূতাবাসের বাইরে।পাকিস্তানে আমেরিকার উপদূতাবাসের সামনে তাণ্ডবের সময়ে বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালিয়েছিল মার্কিন মেরিন বাহিনী। সূত্র মারফত এমনটাই জানাচ্ছে রয়টার্স। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই মার্কিন আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলে এই দাবি করছে তারা। যদিও মার্কিন বাহিনীর গুলিতেই বিক্ষোভকারীদের মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। অন্য দেশে অবস্থিত কোনও কূটনৈতিক দফতরে মার্কিন বাহিনীর এমন পদক্ষেপ সচরাচর দেখা যায় না। কারণ, এমন পদক্ষেপের ফলে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা থাকে।

গত শনিবার আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল একসঙ্গে সামরিক অভিযান চালায় ইরানে। ওই হামলাতেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই রবিবার পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসে বিক্ষোভ দেখান একদল জনতা। বিক্ষোভকারীরা মার্কিন উপদূতাবাস চত্বরের দেওয়াল ভেঙে ভিতরেও প্রবেশ করেন। ওই তাণ্ডবের সময়ে ১০ জন বিক্ষোভকারী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

তবে মেরিন বাহিনীর গুলিতেই বিক্ষোভকারীদের মৃত্যু হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয় বলেই জানান আমেরিকার ওই দুই আধিকারিক। ওই সময়ে কূটনৈতিক দফতরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশকর্মীও মোতায়েন ছিলেন ঘটনাস্থলে। ফলে কাদের ছোড়া গুলিতে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও বলা সম্ভব নয় বলে জানাচ্ছেন তাঁরা।

গত রবিবার করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসের সামনে তৈরি হওয়া ওই বিক্ষোভ সামাল দিতে গুলি চালিয়েছিল পুলিশও। তার পরেই জানা যায়, ১০ জনের প্রাণ গিয়েছে। স্থানীয় উদ্ধারকারী দলের মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন ওই সময়ে দাবি করেছিলেন, আহত এবং নিহতদের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে।

ওই দিন খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিক্ষিপ্ত অশান্তি শুরু হয় করাচিতে। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খামেনেইয়ের ছবি হাতে বেশ কয়েক জন জড়ো হন করাচির মার্কিন উপদূতাবাসের বাইরে। মুখে আমেরিকাবিরোধী স্লোগান। অভিযোগ, বিক্ষোভ চলাকালীন কয়েক জন বিক্ষোভকারী নিরাপত্তাবেষ্টনী পেরিয়ে কনসুলেটের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। পুলিশ আটকাতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উপদূতাবাসের কিছু জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসের সামনে বিক্ষোভকারীদের উপরে গুলি চালিয়েছিল আমেরিকার মেরিন বাহিনী! দাবি রিপোর্টে
করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসের সামনে বিক্ষোভকারীদের উপরে গুলি চালিয়েছিল আমেরিকার মেরিন বাহিনী! দাবি রিপোর্টে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed