ভাই-বোনের তর্কাতর্কি! রাস্তায় গাড়ি থামানো! কেতন ও সিয়ার বালিতে ঘোরা বানচাল হওয়ার ঠিক আগে কী ঘটেছিল ক্যাবে?

0

প্রি ওয়েডিং ফটোশুটের জন্য ইন্দোনেশিয়ার বালিতে যাওয়ার কথা ছিল কেতন-সিয়ার। কিন্তু তা হয়ে ওঠেনি। বিমানবন্দরে পৌঁছে কেতন দেখেন, তাঁর পাসপোর্ট হারিয়ে গিয়েছে। তার আগে ঠিক কী ঘটেছিল রাস্তায়?পুণের ব্যবসায়ীপুত্র কেতন অগ্রবালের হত্যাকাণ্ডে উঠে এল আরও নতুন তথ্য। তাঁর পাসপোর্ট ‘হারিয়ে যাওয়ার’ আগে ঠিক কী ঘটেছিল? বাড়ি থেকে মুম্বই বিমানবন্দর পর্যন্ত যাওয়ার রাস্তায় কী হয়েছিল, তা নিয়ে এ বার মুখ খুললেন ক্যাবচালক।

জুনের প্রথম সপ্তাহেই ইন্দোনেশিয়ার বালিতে যাওয়ার কথা ছিল কেতন এবং সিয়া গোয়লের। প্রি ওয়েডিং ফোটোশুটের জন্য। কিন্তু মুম্বই বিমানবন্দরে পৌঁছোনোর পর কেতন তাঁর পাসপোর্ট খুঁজে পাননি। ফলে বালি যাওয়া ভেস্তে যায়। ওই দিন কেতন এবং সিয়াকে মুম্বই বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেন বৈভব যাদব নামে এক ক্যাবচালক। তাঁর দাবি, মুম্বই-পুণে এক্সপ্রেসওয়েতে এক জায়গায় গাড়ি দাঁড় করান সিয়া। তার পর চালককে ডেকে ডিকি খোলান। তখন ব্যাগ থেকে কিছু একটা বার করে নেন সিয়া।

বৈভব জানান, ওই দিন সকাল ১০টা নাগাদ তিনি পুণে থেকে সিয়াকে গাড়িতে তোলেন। তখন সিয়ার সঙ্গে তাঁর দাদা সাহিলও ছিলেন। ক্যাবচালকের দাবি, প্রথমে ক্যাবে উঠতে রাজি হচ্ছিলেন না সিয়া। সাহিল একপ্রকার জোর করেই তাঁকে গাড়িতে তোলেন। তার পরে সেই ক্যাব পৌঁছোয় রাবেতে। সেখান থেকে কেতন গাড়িতে ওঠেন। কেতন গাড়িতে ওঠার আগে পর্যন্ত ভাই-বোনের মধ্যে তর্কাতর্কি চলছিল বলেও জানান বৈভব। পরে কেতন গাড়িতে ওঠার পর তিন জনকে নিয়ে তিনি রওনা দেন মুম্বই বিমানবন্দরের উদ্দেশে।

চালকের দাবি, মুম্বই-পুণে এক্সপ্রেসওয়ের ধারে একটি খাবারের দোকানের কাছে গাড়ি থামাতে বলেন সিয়া। সেখানে চা খান তাঁরা। গাড়ি থামানোর ১০ মিনিট পরে বৈভবের কাছে যান সিয়া। গাড়ির ডিকি খুলতে বলেন তাঁকে। বৈভবের দাবি, ডিকিতে যে ব্যাগগুলি ছিল, তার মধ্যে সিয়ার একটি ব্যাগও ছিল। সেটি থেকে সিয়া কিছু বার করে নেন। তবে ডিকি থেকে সিয়া কী বার করেছিলেন, তা জানা নেই বৈভবের। তার ১৫-২০ মিনিট পরে গাড়ি আবার বিমানবন্দরের দিকে এগোতে শুরু করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed