পদ্মা থেকে উদ্ধার আরও দেহ! ঢাকাগামী বাসডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪! কী ভাবে দুর্ঘটনা? তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব
ঢাকাগামী বাসটিতে প্রায় ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন। তবে কত জনকে নিয়ে বাসটি নদীতে ডুবেছিল, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। বুধবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। তা এখনও চলছে।
বাংলাদেশে পদ্মা নদীতে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেল। ঢাকাগামী ওই বাসটির প্রায় অর্ধেক যাত্রীরই মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনায়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত পদ্মা থেকে ২৪ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, বাসটিতে প্রায় ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন মহিলা এবং পাঁচ শিশুও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কত জন যাত্রীকে নিয়ে বাসটি পদ্মায় ডুবেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বাসটিতে ৪০ জনের বসার আসন রয়েছে। তবে যাত্রী ছিলেন আসন সংখ্যার বেশি। কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল বাসটি। সেই সময়ে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিঘাটে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফেরিতে পদ্মা পার হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল বাসটি। সেই সময়েই বিপত্তি ঘটে। জেটি থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায় যাত্রীবোঝাই বাস। তবে ওই সময়ে বাস থেকে কয়েক জন নেমে ঘাটে অপেক্ষা করছিলেন। ফলে কত জনকে নিয়ে বাসটি ডুবেছিল, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়।
দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন। আগামী তিন দিনের মধ্যে ওই কমিটিকে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবারের জন্য প্রাথমিক ভাবে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যও ঘোষণা করেছে তারা।বুধবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল। সেই থেকেই ডুবুরি নামিয়ে দেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। রাতে ক্রেনের সাহায্যে নদীর ৬০ ফুট নীচ থেকে তুলে আনা হয় বাসও। বৃহস্পতিবারও চলছে উদ্ধার অভিযান। তবে আরও কেউ নিখোঁজ রয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। জেলা প্রশাসনের বক্তব্য, কারও পরিবারের সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন বলে কোনও খবর প্রশাসনের কাছে পৌঁছোয়নি। উদ্ধার অভিযান জারি থাকবে বলে জানিয়েছে তারা।
