এত অফিসারকে সরানো হচ্ছে, বিপর্যয় হলে সামলাবেন কে? কমিশনের উদ্দেশ্য ও এক্তিয়ার নিয়ে হাই কোর্টে প্রশ্ন কল্যাণের
কমিশনের ‘ক্ষমতা’ নিয়ে প্রশ্ন কল্যাণের
কল্যাণের সওয়াল, “স্বরাষ্ট্রসচিব নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁকে শুধু সরিয়েই দেয়নি, অন্য রাজ্যে পাঠিয়ে দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকে তামিলনাড়ুতে পাঠিয়ে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সমস্যা মুখ্যসচিব দেখছেন। তাঁকে সরিয়ে দিল। কমিশন কি ইচ্ছাকৃত ভাবে এমন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে? এসআইআর শুরুর সময় থেকে কমিশন অফিসারদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। এসআইআরের সময় ওই অফিসারদের কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেনি কমিশন। নির্বাচন ঘোষণার পরে তারা কেন হঠাৎ অপসারণ করছে? কী এমন হল? শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আর অন্য কোনও রাজ্যে এমন হয়নি।”

আমলা-পুলিশে বদলি!
হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে কল্যাণ আরও বলেন, “৬৩ জন পুলিশ অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে। ১৬ জন আইএএস অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে।”
বিপর্যয় হলে সামলাবে কে? সওয়াল আদালতে
কল্যাণের সওয়াল, “১৩ জন পুলিশ সুপারকে সরিয়ে দিয়েছে। বেশিরভাগ অফিসারকে কোনও দায়িত্ব দেয়নি। এই সব অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যদি কোনও বিপর্যয় হয়। কে সামলাবে?”
রাতারাতি অপসারণ কেন? প্রশ্ন কল্যাণের
তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাতারাতি আধিকারিকদের অপসারণ করা হয়েছে। মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র সরিয়ে দিয়েছে। পঞ্চায়েত দফতরের সচিবকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক? জাভেদ শামিমের মতো দক্ষ অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে দিয়েছেন। তিনি এক মাস হল দায়িত্ব নিয়েছেন। তাঁকে সরানোর পিছনে কারণ কী?”
শুনানি শুরু হাই কোর্টে
আধিকারিকদের অপসারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলার শুনানি শুরু হল কলকাতা হাই কোর্টে। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হচ্ছে।
