টিকিট না-পাওয়া বিজেপির ১৬ জন প্রাক্তন বিধায়ককে বিধানসভায় ডেকে কথা শুভেন্দুর! আশ্বাস, দল ভাবছে

0

বিজেপির একটি সূত্র বলছে, শুভেন্দু ওই ১৬ জনকে জানিয়েছেন, তাঁদের কী ভাবে কাজে লাগানো হবে, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। সেই নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসলের সঙ্গেও তিনি আলোচনা করছেন বলে খবরবিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি টিকিট দেয়নি। তবে দল তাঁদের কথা ভাবছে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ডেকে প্রাক্তন ১৬ জন বিজেপি বিধায়ককে সেই বার্তাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির একটি সূত্র বলছে, শুভেন্দু ওই ১৬ জনকে জানিয়েছেন, তাঁদের কী ভাবে কাজে লাগানো হবে, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। সেই নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসলের সঙ্গেও তিনি আলোচনা করছেন বলে খবর।বৃহস্পতিবার নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। প্রথম দিনের অধিবেশন শেষে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে যান বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি, বিশ্বনাথ কারক, আশিস বিশ্বাস, মধুসূদন বাগ-সহ ১৬ জন। সূত্রের খবর, তাঁদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন শুভেন্দুই। বৈঠকে তাঁদের জানান, দল তাঁদের নিয়ে ভাবছে। তাঁদের প্রশাসন না কি সংগঠনের কাজে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। শুভেন্দু এ-ও জানান, এই বিষয়ে শমীক, সুনীলের সঙ্গে আলোচনা চলছে।মধুসূদন ছিলেন আরামবাগ সদরের বিধায়ক। বিশ্বনাথ ছিলেন গোঘাটের বিধায়ক। তাঁর দু’জনেই গত বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাননি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনটি বড় নির্বাচনে দক্ষিণবঙ্গে বিজেপির অন্যতম ‘ঘাঁটি’ হিসাবে দেখা দিয়েছিল যে আরামবাগ মহকুমা, সেখানে দু’টি জেতা আসনে প্রার্থী বদল করে বিজেপি। জেতা আসন আরামবাগ এবং গোঘাটে প্রার্থী বদলের মূল কারণ ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব’ বলে বিজেপির একটি সূত্র সে সময় দাবি করেছিল। মধুসূদন বা বিশ্বনাথের বিরুদ্ধে জনসংযোগ না-করা বা নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তেমন ছিল না। সাংগঠনিক কার্যকলাপে তাঁদের ভূমিকা ছিল না, তেমনও নয়। কিন্তু দলের অন্দরে ওই দুই বিধায়কের ‘বিরোধী’র সংখ্যাও ছিল যথেষ্ট। সেই ‘অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব’ এড়াতে এমন প্রার্থী বাছার চেষ্টা হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে দলের অন্দরে খুব বেশি ‘বিরোধিতা’ নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed