দুপুর ৩টে: প্রথম দফা থেকে একটু পিছিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার! সবচেয়ে বেশি সেই পূর্ব বর্ধমানেই, কোথায় কম
আসনভিত্তিক ভোটের হার দুপুর ৩টে পর্যন্ত
কমিশন বলছে, আসনভিত্তিক ভোটের হারে শীর্ষে রয়েছে গলসি। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৫.১১ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়, ৭০.১ শতাংশ। ভবানীপুর আসনে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটের হার ৭৫.৬৬ শতাংশ।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটদানের হার
দুপুর ৩টে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়ল পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম ভোটদানের হার কলকাতা দক্ষিণে।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটদানের হারও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় অনেকটা বেশি। সে বার লোকসভা ভোট সাত দফায় হয়েছিল রাজ্যে। দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৯ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে। ওই সময়ে লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়— ৭০.২ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছিল সপ্তম দফায়। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৮.৫ শতাংশ। ১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সর্বোচ্চ গলসিতে। ৭০.৪৮ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়। সেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫২.০৫ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোটের হার ৫৪.১৩ শতাংশ। ভবানীপুরে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটের হার ৫৮.৫৩ শতাংশ।
দুপুর ১টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে ভোটের হার ৬১.১১ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৬২.১৮ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। সেখানে ভোটের হার ৬৬.৮০ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে— ৫৭.৭৩ শতাংশ।
দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটদানের হারও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় অনেকটা বেশি। লোকসভা ভোট সাত দফায় হয়েছিল। দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশের মধ্যে। ওই সময়ে লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়— ৫৪.৮ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছিল সপ্তম দফায়। সেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৪৫.১ শতাংশ। সকাল ১১টা পর্যন্ত ১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সর্বোচ্চ গলসিতে। সেখানে ভোট পড়েছে ৪৭.৮৬ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে মন্তেশ্বর। সেখানে ভোটের হার ৪৬.৮৩ শতাংশ। সকাল ১১টা পর্যন্ত সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়— ৩৩.৫ শতাংশ। ভবানীপুরে সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার ৩৭.২৭। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিপক্ষ হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভাঙড়ে ভোট পড়েছে ৩৪.২৮ শতাংশ
দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটদানের হার ৩৯.৯৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সেখানে ভোটের হার ৪৪.৫০ শতাংশ। কলকাতা দক্ষিণে ভোট পড়েছে ৩৬.৭৮ শতাংশ।
২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় এই হার অনেকটাই বেশি। লোকসভা ভোট হয়েছিল সাত দফায়। ওই সাত দফার মধ্যে সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়, ৩৬.৯ শতাংশ। সর্বনিম্ন ভোটদানের হার ছিল সপ্তম দফায়। ওই দফায় সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার ছিল রাজ্যে ২৮.১ শতাংশ।কমিশনের তথ্য অনুসারে, সকাল ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সবচেয়ে বেশি মন্তেশ্বরে— ২২.৫৩ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে গলসি। সেখানে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটের হার ২২.৪৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মহেশতলায়— ১৪.৯০ শতাংশ। ভাঙড়ে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটের হার ১৫.১৯ শতাংশ। ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ১৭.০৮ শতাংশ। 
