তৃণমূল প্রার্থী উদয়নের ভাইপো জোড়াফুল ছেড়ে ধরলেন পদ্ম-পতাকা

দলবদল করে জয় বলেন, ‘‘ছাত্র জীবন থেকে বামপন্থী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। পরবর্তী সময়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। কিন্তু তৃণমূলের উন্নয়ন মানেই কাটমানি। তাই এই দল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিলাম।’’
জয়ের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়ার সময়ে বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ বলেন, ‘‘তৃণমূল প্রার্থী তথা মন্ত্রী উদয়ন গুহের ভাইপো আজ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন। তৃণমূলের উপরে বিতশ্রদ্ধ হয়েই তিনি দল ছেড়েছেন। এর থেকেই প্রমাণিত হয়, দিনহাটার মানুষ কত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন।’’ তাঁর আরও দাবি, প্রতিদিন দলে দলে মানুষ বিজেপিতে যোগদান করছেন।
দলবদল করে জয় বলেন, ‘‘ছাত্র জীবন থেকে বামপন্থী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। পরবর্তী সময়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। কিন্তু তৃণমূলের উন্নয়ন মানেই কাটমানি। তাই এই দল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিলাম।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘তৃণমূলের রাজত্বকালে এই বাংলার সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাংলার আগের গৌরব ফিরিয়ে আনতে হবে। যা বিজেপির পক্ষেই সম্ভব।’’
নির্বাচনের খুব বেশি দেরি নেই। ভোট প্রচার চলছে জোরকদমে। এই পরিস্থিতিতে ‘হেভিওয়েট’ তৃণমূল প্রার্থীর ভাইপোর দলবদলকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে দিনহাটার রাজনৈতিক মহল।জয়ের দলবদল প্রসঙ্গে উদয়নের ভাগ্নে নীলাঞ্জন ব্রহ্ম বলেন, ‘‘বিজেপি এ সব করে সস্তার রাজনীতি করছে। উন্নয়নের নিরিখে উদয়নকে কেউ হারাতে পারবে না। এই ঘটনা দিনহাটার মানুষের মনে বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলতে পারবে না। উদয়ন দিনহাটায় যে ভাবে উন্নয়ন করেছেন তার পরে সাধারণ মানুষ ভোট দিতে গিয়ে আর অন্য কিছু চিন্তা ভাবনা করবে বলে আমার মনে হয় না।’’ তাঁর দাবি, উদয়নের পরিবারের লোক বলে এনে হঠাৎ করে কাউকে দলবদল করালে তাতে দিনহাটার মানুষের মনে কোনও প্রভাব পড়বে। নীলাঞ্জনের আরও দাবি, এর আগেও ২০২৪ সালে হঠাৎ করে একজনকে তুলে নিয়ে এসে বলা হয়েছিল তিনি উদয়নের ভাগ্নি। ওই মহিলা বিজেপিতে গিয়ে কুৎসা রটাতে শুরু করেছিলেন। উদয়নের ভাগ্নের হুঁশিয়ারি, ‘‘লড়াই করতে হলে উন্নয়নের নিরিখে লড়াই করুন।’’
