হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি তৃণমূলের! ‘বিবেচনাধীন’ ১১ প্রার্থী নিয়ে হস্তক্ষেপ, তালিকা প্রকাশে তথ্য স্পষ্ট করার আর্জি

0

শাসকদলের কাছে এখন অন্যতম শিরঃপীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জন প্রার্থীর নাম ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় থেকে যাওয়া এবং শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তার নিষ্পত্তি না-হওয়া।

এসআইআর প্রক্রিয়া যখন মধ্যগগনে, তখন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে সওয়াল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রক্রিয়া যখন প্রায় সায়াহ্নে, তখন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখল তৃণমূল। সেই চিঠিতে একাধিক বিষয় উল্লেখ করেছে শাসকদল। তার মধ্যে অন্যতম, তাদের ১১ জন প্রার্থীকে ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় রেখে দেওয়ার বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপের আর্জি।

ভোটার তালিকায় ১১ প্রার্থীর ভাগ্য 'বিবেচনাধীন'! হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির  দ্রুত হস্তক্ষেপ চাইল তৃণমূল - Drishtibhongi দৃষ্টিভঙ্গি

কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে ইমেলে পাঠানো তিন পাতার চিঠিটি লিখেছেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। চিঠির সঙ্গে ১১টি কেন্দ্রের কোথায় কাকে প্রার্থী করা হয়েছে, তাঁদের এপিক নম্বর-সহ পৃথক একটি তালিকাও যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর, মালদহের মোথাবাড়ি, মুর্শিদাবাদের সমশেরগঞ্জ, লালগোলা, নওদা, কলকাতার শ্যামপুকুর, হুগলির চণ্ডীতলা, উত্তরপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা এবং বীরভূমের হাসন। এর মধ্যে রয়েছেন এক মন্ত্রীও। তিনি শশী পাঁজা। শ্যামপুকুরে তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে এ বারও লড়ছেন শশী।

चन्दौसी कोतवाली में कानून-व्यवस्था की समीक्षा, अपराध नियंत्रण व महिला सुरक्षा पर विशेष जोर

 

এর মধ্যে ছ’টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ প্রথম দফায় এবং বাকি পাঁচটি কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফায়। প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন পেশের শেষ দিন ৬ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত। যে হেতু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিই ‘বিবেচনাধীন’ তালিকা নিষ্পত্তির কাজের তত্ত্বাবধান করছেন, তাই তাঁকেই চিঠিটি লিখেছে তৃণমূল।

শাসকদলের তরফে আরও কয়েকটি আর্জি জানানো হয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে। প্রথমত, বিবেচনাধীন তালিকার কত নিষ্পত্তি হচ্ছে, তার দৈনিক তালিকা প্রকাশ করা হোক। এ ব্যাপারে কমিশনকে নির্দেশ দিন প্রধান বিচারপতি। দ্বিতীয়ত, যাঁদের নাম বাদ পড়ছে, কেন তাঁদের নাম বাদ পড়ল, তা জানাক নির্বাচন কমিশন। তৃতীয়ত, যাঁদের নাম বাদ পড়ছে, তাঁদের আবেদন করার প্রক্রিয়া সহজ করা হোক। যাতে ‘ইসিআইএনইটি’ পোর্টালে আবেদন করা যায়, তার সংস্থান করা হোক। বাদ-পড়াদের আবেদন জানানোর প্রক্রিয়ায় বিএলএ-দের যুক্ত করার আর্জিও রয়েছে তৃণমূলের চিঠিতে।

এসআইআর প্রক্রিয়ার গোড়া থেকেই দলের বিএলএ-দের নজরদারির মধ্যে রেখেছিল তৃণমূল। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দফায় দফায় বৈঠক করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুনানি প্রক্রিয়া চলার শুরুতে কমিশন রাজনৈতিক দলগুলির বিএলএ-দের যুক্ত থাকার অনুমতি দেয়নি। পরে তৃণমূলের মামলাতেই বিএলএ-দের যুক্ত করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এ বার ‘বিবেচনাধীন’ তালিকা থেকে যাঁদের নাম ‘বাদের’ তালিকায় যাবে, তাঁদের আবেদন জানানোর প্রক্রিয়াতেও বিএলএ-দের যুক্ত থাকার অনুমতি দেওয়ার আর্জি জানাল তৃণমূল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed